রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভবন নির্মাণের জন্য নিতে হয় রাজউকের অনুমোদন, নিয়ম মোতাবেক ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি-না তা দেখভাল করার দায়িত্ব ইমারত পরিদর্শকদের। ইমারত পরিদর্শকগণ এ-ই দেখভালের দায়িত্বে থেকে করে যাচ্ছেন বিভিন্ন প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি।
রাজউক জোন ১/১ এ দায়িত্বে থাকা ইমারত পরিদর্শক মুরাদ হোসেন রাজউক জোন ১/১ এ দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে গাজীপুর ও এর পূর্বে জোন ৩ এর অধীনে দায়িত্ব পালন কালে করে গিয়েছেন কোটি কোটি টাকার দূর্নীতি। ভবন নির্মাণে অনিয়ম রোধে কাজ করার দায়িত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিষ্ঠা করে বদলী হয়ে যায় গাজীপুরে। গাজীপুরে বদলী হওয়ার পূর্বে তৎকালীন রাজউক জোন ৩ এর পরিচালক তাজিনা সারোয়ার এর আশীর্বাদ ও সহযোগিতায় উচ্ছেদের নাটক সাজিয়ে ও নোটিশ বানিজ্য করে কোটি কোটি টাকার দূর্নীতি করেছেন। সম্প্রতি তিনি রাজউক জোন ১/১ এ-র দায়িত্বে এসেও শুরু করে দিয়েছেন নোটিশ বানিজ্য, বাদ নেই ও উচ্ছেদের ভয় দেখিয়ে অর্থ উপার্জন।
ইমারত পরিদর্শক সোলাইমান হোসেন জোন ৩ এ যোগদানের পর থেকেই শুরু করেন নোটিশ বানিজ্য, ও উচ্ছেদের ভয় দেখিয়ে উৎকোচ গ্রহণ। জোন ৩/১ থেকে শুরু করে বর্তমানে ৩/২ এর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বীরদর্পে। তাহার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ থাকায় তথ্য সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকগণ তাহার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে অশ্রাব্য ভাষায় অসদাচরণ ও হুমকি প্রদান করেন ইমারত পরিদর্শক সোলাইমান। এমনকি তাহার দপ্তরে কোন সাংবাদিক সাক্ষাৎকার নিতে গেলে তাহাদের সহিত অসদাচরণ করা সহ মারমুখী আচরণও করে থাকেন এমনই এক ঘটনাার জন্য সাংবাদিকগণ জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ও মানব বন্ধন করেন। এতকিছুর পরও ইমারত পরিদর্শক সোলাইমান বীরদর্পে করে যাচ্ছেন দূর্নীতি।
ইমারত পরিদর্শক ছামিউল রাজউক জোন ৩ এর অধীনে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত থেকেও দীর্ঘদিন ধরে নীরবে নিভৃতে করে যাচ্ছেন দূর্নীতি। জোন ৩/১ এ তাহার দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকায় শতকরা ৯৫ ভাগ ভবন রাজউকের নিয়ম বহির্ভূত ভাবে নির্মাণ হয়েছে যাঁহারা ছামিউল এর চাহিদা মত উৎকোচ প্রদানে আপত্তি করেন কেনল মাত্র সেই ভবন গুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করানো হয়। উচ্ছেদ অভিযান, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ভবন ভেঙে গুড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে এবং নোটিশ বানিজ্যের মাধ্যমে বিরামহীন ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা।
রাজউকের ভবন নির্মাণ নীতিমালা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের দায়িত্ব ইমারত পরিদর্শকগণের উপর থাকলেও তাহারা নিজ নিজ দায়িত্ব উপেক্ষা করে দূর্নীতিতে পতিত হয়ে রাজউকের পরিকল্পিত নগরায়ন বাস্তবায়নে অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছেন। এহেন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে রাজধানী জঞ্জালের নগরীতে পরিনত হবে বলে বিশিষ্ট নাগরিকগণ মত প্রকাশ করেন।
রাজউকের দূর্নীতি পরায়ন ইমারত পরিদর্শক মুরাদ হোসেন, সোলাইমান হোসেন ও ছামিউল গং দের দূর্নীতির খতিয়ান শীঘ্রই প্রকাশ করাহবে ধারাবাহিক ভাবে।